কারো অধিকার নেই
গত ৭৫ বছর ধরে গনহত্যা চালাচ্ছে সেটেলার কলোনিয়ান ইহুদিরা।এর মাঝে সংখ্যাগুরু ফিলিস্তিনিদের পৈত্রিক ভিটেমাটি থেকে বহিষ্কার, ভৌগোলিক সংহতি লঙ্ঘন, ধর্মীয় পবিত্র স্থানসমুহের অমর্যাদা এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন কতবার করেছে তার কোন হিসাব নই।
আর এই দীর্ঘ্ সময় জুড়ে মুসলিমবিশ্ব ছিলো স্রেফ দর্শকের ভূমিকায়,সামান্য লিপসার্ভিস ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি নিপিড়ীত ফিলিস্তিনিদের।
কিন্তু আজ যখন সেটেলার কলোনিয়ানদের বিরুদ্ধে হামাস ও ফিলিস্তিনি যুবকরা শিড়ঁদারা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে সেই মূহুর্তে বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা -সংগঠন এমনকি মুসলি রাষ্ট্র-সংঘ 'ওআইসি' থেকেও যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব পেশ করা হচ্ছে!
এখন যুদ্ধ বন্ধের অর্থ হলো,ইসরাইলকে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, হামাসও যুদ্ধ থেকে বিরত থাকবে।যার মাধ্যমে সেটেলার কলোনিয়ান ইহুদিরা দখলকৃত ভূখন্ডে পূর্বের মতই বহাল থাকবে, আর সংখ্যাগুরু ফিলিস্তিনিরা থাকবে পৈত্রিক ভিটেমাটি থেকে বহিষ্কৃত।এটা কোনো সমাধান হতে পারে না।হামাসের লড়াকু জানবাজ মুজাহিদরা তাদের জন্মগত অধিকার ও ইসলামের বুনিয়াদে সমস্ত ফিলিস্তিন-ভূমি কলোনিয়ান ইহুদিদের থেকে মুক্ত করার যুদ্ধে নেমেছে, এ যুদ্ধ থামিয়ে দেবার অধিকার কারো নেই। এ যুদ্ধ ততদিন পর্যন্ত চলতে হবে যতদিন না ইহুদিদের কব্জা হতে ফিলিস্তিন-ভূমি মুক্ত হয়।তাই মুসলিমদের দাবি হবে, যুদ্ধ বন্ধ নয় বরং গণহত্যা বন্ধ করা। যা জায়নবাদীরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য করে চলছে।
ইসরাইল যদি গনহত্যা বন্ধ করে আন্তর্জাতিক আইন মেনে হামাসের মুকাবেলা করতে পারে তাহলে করুক।হামাস সম্মুখ লড়াইয়ে পস্তুত। যতদিন পর্যন্ত হামাসের একটি ট্যাংক ও একজন সৈনিক ফিলিস্তিন-ভূমিতে অবশিষ্ট থাকবে, ততদিন হামাসের প্রতিরোধ-যুদ্ধ চলতে থাবে।ইনশাআল্লাহ।
কিন্তু আজ যখন সেটেলার কলোনিয়ানদের বিরুদ্ধে হামাস ও ফিলিস্তিনি যুবকরা শিড়ঁদারা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে সেই মূহুর্তে বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা -সংগঠন এমনকি মুসলি রাষ্ট্র-সংঘ 'ওআইসি' থেকেও যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব পেশ করা হচ্ছে!