
ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে আমাদের দেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশি আক্রান্ত হয়। এ দেশটি নদীবাহিত পলিমাটিতে তৈরি একটি বদ্বীপ। বিশাল গঙ্গা-যমুনা-মেঘনার প্রবাহ মিলিয়ে সাতশত নদ-নদী বয়ে গেছে এদেশের ওপর দিয়ে।
ছাত্রজীবন হচ্ছে মানুষের ভবিষ্যত জীবনের উদ্যোগ পর্ব। মাদরাসা-মহাবিদ্যালয়-বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের সময়কালকেই সাধারণত ছাত্রজীবন বলা হয় । জীবনের ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য ছাত্রজীবনই সর্বোৎকৃষ্ট সময় । ভিত্তি সুদৃঢ় না হলে যেমন ইমারত মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হয় না তেমনি ছাত্রজীবন বৃথায় নষ্ট করলে বাকী জীবন মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এজন্য ছাত্রজীবনের দায়িত্ব ও কর্তব্য অপরিসীম ।

বিশ্বায়নের ফলে আধুনিক বিশ্বে শিল্পায়ন সম্পর্কিত ধারণার যথেষ্ট প্রসার ঘটেছে। বর্তমানে অনেক দেশে শিল্পায়নের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক শিল্প এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। এ সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে আমাদের বাংলাদেশেও।
মহানবি (স) তাঁর জীবনের শেষ হজ পালন করলেন দশম হিজরিতে। ইসলামের দাওয়াত পৌঁছানোর দায়িত্ব তখন রাসূল (স)-এর শেষ পর্যায়ে। এ হজে তিনি তাঁর জীবনের শেষ আনুষ্ঠানিক ভাষণ দান করেন । এটি মহানবি (স) এর জীবনের শেষ ভাষণ হওয়ায় এ ভাষণকে বিদায় হজ এর ভাষণ নামে অভিহিত করা হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে।
প্রতিসাম্য প্রাণিজগতের শ্রেণীবিন্যাসকরণের অন্যতম একটি ভিত্তি। প্রতিসাম্য বলতে প্রাণিদেহের মধ্যরেখীয় তলের দুপাশে সদৃশ বা সমান আকার-আকৃতিবিশিষ্ট অংশের অবস্থানকে বোঝায়।
সুন্দর ও স্বাভাবিক নিয়মে প্রাণিজগৎকে শ্রেণীবিন্যাস করার জন্য পকৃতিবিদগণ অনেক আগেই এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। আর এই জন্যই জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে ওঠেছে ট্যাক্সোনমি বা শ্রেণীবিন্যাস বিদ্যা। এই শ্রেণীবিন্যাসে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন বিজ্ঞানী ক্যারোলাস নিলিয়াস ।
প্রাণীদের বৈচিত্র্যময়তার জন্য প্রাণী বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ভাবে প্রাণী জগতের শ্রেণীবিন্যাস করেছেন। নিম্নে তা উদাহরণ সহ উল্লেখ করা হলো :
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ এখান থেকে তোমরা যে বিষয় গুলো শিখতে পারবে, দ্বিস্তরী ও ত্রিস্তরী প্রাণী কাকে বলে? দ্বিস্তরী ও ত্রিস্তরী প্রাণীর উদাহরণ, বৈশিষ্ট্য ও পার্থক্য। বিস্তারিত নিচে আলোকপাত করা হলো -
পৃথিবীর বৈচিত্র্যময় ভৌগোলিক পরিবেশ এবং জলবায়ুর সাথে খাপ খাইয়ে বাস করে অসংখ্য ছোট-বড় উদ্ভিদ এবং প্রাণী। একই প্রজাতির জীব ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ সাফল্যের সাথে টিকে থাকার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভাবে পরিবর্তিত বা অভিযোজিত হয়। জীবদের এই বিভিন্নতাকে বা বৈচিত্র্যময়তাকে জীববৈচিত্র্য বলে । সুতরাং প্রাণিজগতের প্রাণীদের মধ্যে যে বৈচিত্র্যময়তা দেখা যায় তাই প্রাণী বৈচিত্র্য (Bio-diversity) ।
যুদ্ধ নয় শান্তি— পৃথিবীতে দুটি বিপরীতমুখী অবস্থা। অশান্ত বিশ্বে আজ কোথাও শান্তি নেই। যুদ্ধ একান্ত পাশবিক। অথচ পশুর চেয়ে মানুষই বেশি যুদ্ধ করে, আবার মানুষই যুদ্ধকে বেশি ঘৃণা করে।